Posts

Showing posts from September, 2026

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

Image
    কারাগারে চালু হলো ‘সাক্ষাৎ কক্ষ’, বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কারাগারে দাম্পত্য সাক্ষাৎ বা ‘conjugal visit’-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমতির ভিত্তিতে বিবাহিত বন্দিরা তাদের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর সুযোগ পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—“কারাগারে চালু হলো সেক্স রুম, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ পেলেন বন্দিরা।” চটকদার এই শিরোনামটি দ্রুত মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ‘সেক্স রুম’ শব্দটি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যবহার করা হয়; বাস্তবে এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নিয়ম দেশভেদে আলাদা। কীভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করে? যেসব দেশে দাম্পত্য সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাধারণত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে না। বন্দির আচরণ, অপরাধের ধরন, কারাবিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা সাক্ষাৎ কক্ষ বা পারিবারিক সাক্ষাৎ সুবিধা দেওয়া ...

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

Image
    কারাগারে চালু হলো ‘সাক্ষাৎ কক্ষ’, বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কারাগারে দাম্পত্য সাক্ষাৎ বা ‘conjugal visit’-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমতির ভিত্তিতে বিবাহিত বন্দিরা তাদের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর সুযোগ পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—“কারাগারে চালু হলো সেক্স রুম, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ পেলেন বন্দিরা।” চটকদার এই শিরোনামটি দ্রুত মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ‘সেক্স রুম’ শব্দটি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যবহার করা হয়; বাস্তবে এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নিয়ম দেশভেদে আলাদা। কীভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করে? যেসব দেশে দাম্পত্য সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাধারণত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে না। বন্দির আচরণ, অপরাধের ধরন, কারাবিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা সাক্ষাৎ কক্ষ বা পারিবারিক সাক্ষাৎ সুবিধা দেওয়া ...

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর থাকার পর জানা গেল তারা আসলে আপন..

Image
    দুই বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে গোপনে বসবাস করছিল তারা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, অন্য সব দম্পতির মতোই তাদের স্বাভাবিক সংসার। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে চলাফেরা—কোনো কিছুতেই সন্দেহের সুযোগ ছিল না এলাকাবাসীর। কিন্তু হঠাৎ একদিন তাদের ঘিরে এমন একটি তথ্য সামনে আসে, যা জানার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী জানতে পারেন, এতদিন তারা যে পরিচয় দিয়ে বসবাস করছিলেন, সেটি আসলে তাদের প্রকৃত পরিচয় নয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা আলোচনা ও প্রশ্ন। কীভাবে দুই বছর ধরে তারা এই পরিচয় গোপন রেখেছিলেন? কেনই বা নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করেননি? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এতদিন পর কীভাবে এলাকাবাসীর কাছে তাদের আসল সত্যটি ধরা পড়ল? ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখন নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সবটুকু সত্য নাও হতে পারে। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা পরিচয়সংক্রান্ত দাবি বিশ্বাস করা উচিত নয়। ঘটনার পেছনের আসল রহস্য কী, কীভাবে সত্যটি প্রকাশ্যে এলো এবং এরপর তাদের জীবনে কী ঘটেছে—এসব জানতে পুরো ঘটনাটি জানা জরুরি। বিস্তারিত তথ্য সামনে এলে হয়তো পরিষ্কার হ...

কোমরে শিকল বেঁধে টেনে নিচ্ছে যুবক, অঝোরে কাঁদছে কিশোরী..

Image
  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাত ৭টার দিকে সিলেট নগরীর উপশহর ডি-ব্লক মসজিদ মার্কেট এলাকার একটি দোকানের ক্যাশবাক্স চুরির চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয়রা ওই কিশোরীকে আটক করেন। এরপর তাকে মারধর করে কোমরে শিকল বেঁধে মধ্যরাতে সড়কে হাঁটোনো হয়।সিলেটে চুরির অভিযোগে এক কিশোরীর কোমরে শিকল বেঁধে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, শিকল বাঁধা অবস্থায় ওই কিশোরীকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন এক যুবক এবং কিশোরীটি অঝোরে কাঁদছে।ঘটনার বিবরণ দিয়ে সিলেট শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়দের খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। চুরি সংক্রান্ত অভিযোগের কারণে পরবর্তীতে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।এদিকে শিকল বেঁধে নির্যাতন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর বিষয়ে মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, যারা ওই কিশোরীকে এভাবে শিকল পরিয়ে নির্যাতন করেছে, তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২০০৩ সালে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন প্র’ধানম’ন্ত্রী তারেক রহমান, কী ছিল সেখানে লেখা…

Image
  ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা তাঁর ক্যারিয়ারের একটি বিশেষ স্মৃতি শেয়ার করেছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি জানান, ২০০৩ সালে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমা দেখার পর তৎকালীন বিএনপির নেতা তারেক রহমান তাঁকে একটি শুভেচ্ছাবার্তা সম্বলিত চিঠি পাঠিয়েছিলেন।পূর্ণিমার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গ্যারিসন সিনেমা হলে সপরিবারে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমাটি দেখেছিলেন তারেক রহমান। সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হয়ে তিনি পূর্ণিমাসহ সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠিটি পাঠান।চিঠিতে সিনেমাটির প্রশংসা করে লেখা ছিল—“এ রকম সিনেমা নিয়মিতভাবেই নির্মাণ হওয়া উচিত। আমরা যেন আমাদের ভালো কাজের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখতে পারি”— এমন কামনাও তিনি ব্যক্ত করেছিলেন বলে পূর্ণিমা জানিয়েছেন।পূর্ণিমা আরও জানান, সেই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমানের মতো বিস্তার ছিল না। তাই চিঠিটি পেয়ে তাঁর মা পরিচিত সাংবাদিকদের দেখিয়েছিলেন। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের এই শুভেচ্ছা ও সিনেমার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তাঁদের কাছে বেশ আনন্দের ও অনুপ্রেরণার বিষয় ছিল।বিষয়টি নিয়ে পূর্ণিমার স্মৃতিচারণের পর সাম...

চার বন্ধু সা’রা’রাত মে’য়ে নিয়ে ফু*র্তি।সকালে উঠে জানতে পা...

Image
  চার বন্ধুর দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল একসঙ্গে রাত কাটিয়ে আনন্দ করার। নির্জন একটি বাড়িতে আয়োজন করা হয়েছিল ছোটখাটো পার্টির। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আরও কয়েকজন পরিচিত তরুণ-তরুণী যোগ দেয়। গান, আড্ডা আর হৈচৈয়ে একসময় গভীর রাত হয়ে যায়। রাতের শেষ দিকে চার বন্ধু ক্লান্ত হয়ে যার যার মতো ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তারা লক্ষ্য করে, আগের রাতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও কিছু ব্যক্তিগত সামগ্রীও নেই। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে তারা একে অপরকে সন্দেহ করতে শুরু করে। পরে বাড়ির আশপাশে খোঁজ করে তারা একটি অস্বাভাবিক বিষয় দেখতে পায়। ঘরের বাইরে পড়ে থাকা একটি ব্যাগের ভেতরে পাওয়া যায় কয়েকটি জিনিস, যা দেখে তাদের সন্দেহ আরও বাড়ে। ঘটনার পর তারা স্থানীয়ভবে খোঁজখবর শুরু করে এবং বাড়ির নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফুটেজে গভীর রাতে একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। পরে বিষয়টি স্থানীয় পুলিশকে জানানো হলে তারা ঘটনাটি তদন্ত শুরু করে। পুলিশের ধারণা, পার্টির সুযোগ নিয়ে কেউ বাড়িতে ঢুকে জিনিসপত্র নিয়ে যেতে পারে। তবে সামাজি...

ব্যাংকে টাকা রেখে মা’সিক মুনাফা গ্রহণ করে সংসার চালানো কি জা’য়েজ? ইসলাম যা বলে জেনে নিন

Image
  ব্যাংকে টাকা রেখে মাসিক মুনাফা গ্রহণ করা কি সুদের অন্তর্ভুক্ত? ইসলামি ব্যাংক বা সাধারণ ব্যাংকের ডিপিএস ও এফডিআর-এর লভ্যাংশ ভোগ করার শরয়ি সমাধান ও ফতোয়া জানুন। প্রশ্ন: ১. বর্তমানে বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংক নামে যেসব ব্যাংক পরিচালিত এই ব্যাংকগুলোতে যে কোনো মেয়াদী ডিপিএস রাখা, তার লভ্যাংশ গ্রহণ করা শরীয়তের দৃষ্টিতে হালাল বা জায়েজ কি নাউত্তর: আমাদের দেশে বর্তমানে শরীয়া মোতাবেক পরিচালিত হওয়ার দাবিদার ইসলামি ব্যাংকগুলো তাদের বিনিয়োগে যথাযথভাবে শরীয়তের নীতিমালা অনুসারণ করে না। তাই শরীয়তের এ সংক্রান্ত নীতিমালা যথাযথভাবে পালনের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত এসব ব্যাংকে ডিপিএস, এফডিআর বা অন্য কোনো সেভিং একাউন্টে টাকা রেখে অতিরিক্ত গ্রহণ করা যাবে না। ২. এফডিআর ও ডিপিএস এ নির্দিষ্ট অংকের টাকা যে কোনো মেয়াদী জমা রেখে প্রচলিত ব্যাংক বা ইসলামী ব্যাংক কর্তৃক যে মুনাফা বা লভ্যাংশ দেয় তা নেওয়া যাবে কি না? শরীয়তের দৃষ্টিতে দলীলসহ সমাধান দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রই উত্তর: প্রচলিত ব্যাংকগুলোতে ফিক্সড ডিপোজিট কিংবা অন্যান্য সেভিংস অ্যাকাউন্ট খোলা এবং এর থেকে মুনাফার নামে প্রাপ্ত অর্থ ভোগ করা জায়েজ নয়। ক...

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর থাকার পর জানা গেল তারা আসলে আপন...

Image
    দুই বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে গোপনে বসবাস করছিল তারা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, অন্য সব দম্পতির মতোই তাদের স্বাভাবিক সংসার। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে চলাফেরা—কোনো কিছুতেই সন্দেহের সুযোগ ছিল না এলাকাবাসীর। কিন্তু হঠাৎ একদিন তাদের ঘিরে এমন একটি তথ্য সামনে আসে, যা জানার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী জানতে পারেন, এতদিন তারা যে পরিচয় দিয়ে বসবাস করছিলেন, সেটি আসলে তাদের প্রকৃত পরিচয় নয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা আলোচনা ও প্রশ্ন। কীভাবে দুই বছর ধরে তারা এই পরিচয় গোপন রেখেছিলেন? কেনই বা নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করেননি? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এতদিন পর কীভাবে এলাকাবাসীর কাছে তাদের আসল সত্যটি ধরা পড়ল? ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখন নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সবটুকু সত্য নাও হতে পারে। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা পরিচয়সংক্রান্ত দাবি বিশ্বাস করা উচিত নয়। ঘটনার পেছনের আসল রহস্য কী, কীভাবে সত্যটি প্রকাশ্যে এলো এবং এরপর তাদের জীবনে কী ঘটেছে—এসব জানতে পুরো ঘটনাটি জানা জরুরি। বিস্তারিত তথ্য সামনে এলে হয়তো পরিষ্কার হ...

বারবার ব্রাশ করার পরও কি মুখের দুর্গন্ধ যাচ্ছে না? গলা থেকে ছোট সাদা দানা বের হয়?.

Image
   ⚠️ বারবার ব্রাশ করার পরও কি মুখের দুর্গন্ধ যাচ্ছে না? গলা থেকে ছোট সাদা দানা বের হয়? অনেকেই এমন সমস্যার কথা বলেন— 🔹 নিয়মিত ব্রাশ করার পরও মুখে অস্বস্তিকর গন্ধ থাকে 🔹 কখনও কাশি দিলে বা গলা পরিষ্কার করলে সাদা বা হলুদ ছোট দানার মতো কিছু বের হয় 🔹 সেই দানাগুলোতে তীব্র দুর্গন্ধ থাকে 👉 এই লক্ষণগুলো অনেক সময় Tonsil Stones এর সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। 📌 টনসিল স্টোন কীভাবে তৈরি হয়? গলার দুই পাশে থাকা টনসিলের ভেতরে ছোট ছোট খাঁজ বা গর্ত থাকে। সেখানে খাবারের কণা, মৃত কোষ এবং ব্যাকটেরিয়া জমে ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে ছোট পাথরের মতো দানা তৈরি করতে পারে। এটাকেই টনসিল স্টোন বলা হয়। 🦠 দুর্গন্ধের কারণ কী? এই জমে থাকা উপাদানের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায় এবং সেখান থেকে এক ধরনের সালফারযুক্ত গ্যাস তৈরি হয়। এর ফলেই মুখে তীব্র দুর্গন্ধ হতে পারে। ⚠️ অনেকেই গলায় সাদা দাগ দেখেই নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে শুরু করেন। কিন্তু সব ক্ষেত্রে এর প্রয়োজন হয় না। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। 🔎 কারা বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন? ✔️ যাদের টনসিলে গভীর গর্ত বা খাঁজ থাকে ✔️ যাদের বারবার টনসিল ইনফেকশন...

ধর্ষিত মেয়ে প্রেগন্যান্ট হলে এবরশনের বিষয়ে ইসলাম কি বলে?…

Image
   ধর্ষিত মেয়ে প্রেগন্যান্ট হলে এবরশনের বিষয়ে ইসলাম কি বলে? প্রথম কথা হলো, গর্ভপাত বা এবরশন একটা মানবতাবিরোধী কাজ, বিনা ওজরে গর্ভপাত ঘটানো অপরাধ। ভ্রুনের মাঝে যখন রুহ সঞ্চার হয়, তখন তা করা হারাম, কেবল মাত্র গর্ভ কন্টিনিউ করলে মায়ের প্রাণহানি বা অঙ্গহানি ঘটার প্রবল ধারণা হলেই ফুকাহাগন বিজ্ঞ দ্বীনদার ডাক্তারের পরামর্শের বিবেচনায় এর অনুমতি দিয়েছেন।  রুহ সঞ্চার হওয়ার আগেও বিনাc ওজরে গর্ভপাত ঘটানো না-জায়েজ। তবে কিছু যৌক্তিক ওজরের বিবেচনায় ফুকাহাগন অনুমতি দিয়েছেন। ধর্ষণ একজন নারীর জন্য বিশাল মানসিক আঘাতের কারণ, ধর্ষকের সন্তান পেটে ধারণ অনেক সময় আরও বড় মেন্টাল ট্রমার কারণ হয়। অনেক সময় তা মেজর সাইকিয়াট্রিক অসুস্থতায় রূপ নেয়। পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার অনেক সময় ধর্ষিতার মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খুবই খারাপ প্রভাব ফেলে। কিছু স্টাডিতে ধর্ষণজনিত গর্ভাবস্থার পর সৃষ্ট মানসিক সমস্যার ক্ষেত্রে মেডিকেল এবরশন পরবর্তী মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে। এছাড়া মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যের চরম অবনতির কারণে ভবিষ্যৎ সন্তানের স্বাস্থ্যের উপর নেগেটিভ প্রভাব মেডিকেল সায়েন্স দ্বারা প্রমাণিত।...

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স-হ-বা-স করা যা...

Image
  স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে স’হবাস করা যাবে? ইসলামের স্পষ্ট বিধান ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিধান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে— স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ? এই প্রতিবেদনে কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিষয়টি তুলে ধরা হলো। ইসলামের মৌলিক বিধান ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ। কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা “আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংযত রাখে— শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে…” — সূরা আল-মু’মিনূন (২৩:৫–৬) এই আয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবল স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম? বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি) মাহরাম নারী— মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদি, নানি পরকীয়া সম্পর্কের নারী বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দাসী বিষয়টি বর্তমান যুগে প্র...

নিজের ছেলে কেমনে পারলো...

Image
     নিজের ছেলে হঠাৎ করে কোথায় চলে গেল—এমন প্রশ্নে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। প্রতিদিনের মতো স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটছিল। কিন্তু একপর্যায়ে ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার সন্ধান করার চেষ্টা করেন। আশপাশের এলাকাতেও খোঁজ নেওয়া হয়। ছেলেটি কেন বাড়ি থেকে বের হয়েছিল, কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না এবং সে কোথায় গেছে—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন স্বজনরা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য, স্থান ও সময় স্পষ্ট নয়। তাই ছেলেটি ঠিক কীভাবে বা কেন বাড়ি থেকে চলে গেছে—তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো এবং পরিবারের সদস্যদের শান্ত থেকে খোঁজ চালানো গুরুত্বপূর্ণ। কোনো তথ্য পাওয়া গেলে যাচাই করে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করাই উচিত। আপনার কী মনে হয়, ছেলেটি কেন হঠাৎ বাড়ি থেকে চলে গেল? আপনার মতামত কমেন্টে জানা

ছুটিতে স্বা’মী বাসায় এসেছিলো কিন্তু রাতে ব’উ এর…

Image
  গোপালগঞ্জে একটি পরিবারের বাসায় ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক একটি ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে এক তরুণীকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকাজুড়ে শুরু হয় নানা আলোচনা ও কৌতূহল।প্রতিবেশীরা জানান, কয়েকদিন ধরে ওই বাড়িতে অস্বাভাবিক কিছু ঘটছে বলে তাদের সন্দেহ হচ্ছিল।পরিবারের সদস্যদের আচরণ এবং বাসার ভেতরে চলাফেরা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম নেয়। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর শুরু হলে ঘটনাটি সামনে আসে।সূত্র মতে, পরিবারের এক সদস্য নিজের আপাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, সে বিষয়ে শুরুতে কেউ স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেনি।পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে নানা তথ্য সামনে আসতে থাকে।ঘটনার খবর পেয়ে উৎসুক মানুষ বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেকেই ঘটনাটিকে অবিশ্বাস্য বলে মন্তব্য করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।এদিকে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্...

আপনিও ঘুমের মধ্যে শ’রীরে ঝাঁ’কুনি অনু’ভব করেন? জেনে নিন এটা কীসের লক্ষণ!…

Image
   আপনিও ঘুমের মধ্যে শ’রীরে ঝাঁ’কুনি অনু’ভব করেন? জেনে নিন এটা কীসের লক্ষণ সবে চোখটা বুজে এসেছে। আচ’মকাই একটা ঝটকা। শ’রীরটা প্রবলভাবে ঝাঁ’কুনি দিয়ে উঠল, যেন মনে হচ্ছে কোথাও পড়ে যাচ্ছিলেন। এটা শুধু আপনার স’মস্যা নয়, শ’রীরের ঝাঁকুনির এমন অভিজ্ঞতা লাভ ক’রেছেন বিশ্বের অন্ত’ত ৭০ শতাংশ মানুষ। ঘুমের মধ্যে শ’রীরে ঝাঁ’কুনি, কীসের লক্ষণ জা’না আছে ঘুমের মধ্যে এমন ঝাঁ’কুনিকে ‘হিপনিক জার্কস’বলা হয়। কেন এমনটা হয়? জেগে থাকা অবস্থা থেকে সবে ঘুমোতে যাওয়ার অবস্থার মধ্যে এই ‘হিপনিক জার্কস’ ঘ’টে থাকে। এই সময় মানুষ পুরোপুরি ঘুমের মধ্যে থাকে না। বরং বলা যায়, সে তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। এই অবস্থাতেই স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। এমন প’রিস্থিতিতে জাগরণ ও স্বপ্নের সীমানাকে অনেক সময়েই মস্তি’ষ্ক ঠাহর ক’রতে পারে না। ফলে তার ধা’ক্কা এসে লাগে শ’রীরে। এ থেকেই তৈরি হয় ‘হিপনিক জার্কস’। ঠিক কেন মস্তি’ষ্ক ঠাহর ক’রতে পারে না শ’রীরে অবস্থা? আ’সলে শ’রীরে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব নেমে এলে মাস্‌ল এবং পেশীগুলো আস্তে আস্তে অবশ হতে থাকে। কিন্তু, মস্তিস্ক শ’রীরে পেশীর এই অব’স্থান ঠাহর ক’রতে না পেরে সেই প্রক্রিয়া আ’টকানোর চেষ্টা করে, ফলে শ...

মারবা ঠিক আছে, শুধু দুই বাচ্চারে ঘুম পাড়িয়ে আসি, মৃ/ত্যুর আগে মুক্তা..

Image
  স্বামীর বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের এক ভয়াবহ অভিযোগ তুলেছেন এক গৃহবধূ। ভুক্তভোগীর দাবি, তাকে জোরপূর্বক বিভিন্ন ওষুধ খাইয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ করে রাখা হতো এবং পরবর্তী সময়ে তার কক্ষে পরপুরুষ পাঠিয়ে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার চেষ্টা করা হতো। ভুক্তভোগী ওই নারী সাংবাদিকদের জানান, পারিবারিক জীবন শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণ প্রকাশ পেতে শুরু করে। তাকে না জানিয়ে জোরপূর্বক বিভিন্ন ধরনের তরল ও ট্যাবলেট জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো হতো। ওই ওষুধ সেবন করার পর তিনি নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতেন। পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই অবস্থায় তার স্বামী নিজের কক্ষে অন্য পুরুষ পাঠিয়ে দিতেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বাধা দিতে গেলে তাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত নিজের নিরাপত্তা ও সুবিচারের আশায় তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইপঁচিশ বছর বয়সী মুক্তা ইসলাম মাওয়ার পায়ে শিকল। বাসার খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়ে...

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী…

Image
     স্বামীর বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল ও শারীরিক নির্যাতনের এক ভয়াবহ অভিযোগ তুলেছেন এক গৃহবধূ। ভুক্তভোগীর দাবি, তাকে জোরপূর্বক বিভিন্ন ওষুধ খাইয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ করে রাখা হতো এবং পরবর্তী সময়ে তার কক্ষে পরপুরুষ পাঠিয়ে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার চেষ্টা করা হতো। ভুক্তভোগী ওই নারী সাংবাদিকদের জানান, পারিবারিক জীবন শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই স্বামীর অস্বাভাবিক আচরণ প্রকাশ পেতে শুরু করে। তাকে না জানিয়ে জোরপূর্বক বিভিন্ন ধরনের তরল ও ট্যাবলেট জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো হতো। ওই ওষুধ সেবন করার পর তিনি নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতেন। পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই অবস্থায় তার স্বামী নিজের কক্ষে অন্য পুরুষ পাঠিয়ে দিতেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বাধা দিতে গেলে তাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত নিজের নিরাপত্তা ও সুবিচারের আশায় তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এক পুরুষের স্পর্শ পেলে অন্য পুরুষকে ভুলে যাওয়া নারীর ধর্ম! নারী প্রথম পুরুষের.

Image
   এক পুরুষের স্পর্শ পেলে অন্য পুরুষকে ভুলে যাওয়া নারীর ধর্ম! নারী প্রথম পুরুষের স্পর্শ ভুলে না। আমার ঠোঁটের কলঙ্ক তোমার ঠোঁটে রেখে দিলে, তুমি আর ঘূনাক্ষরেও আমার হবেনা।তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না', কখনো বলো না। তাকে শেখাও, বুঝাও, নিয়তি না চাইলে তোমাকে আমাকে একাই থাকতে হবে। অন্যের খাঁচায় বন্দি হয়ে হলেও তুমি সুখে থাকবে। তুমি সুখে থাকলে আমার মুখে হাসি থাকবে। আমার মনে শান্তি থাকবে । কালবৈশাখী ঝড়ে ঘর ভেঙে গেলে দেখবেন, ভিঁটেমাটি থাকে। সেই ভিঁটেমাটি আঁকড়ে ধরে আবার নতুন করে ঘর সাজিয়ে নিন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে একই, বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও সম্মান হারাতে দিয়েন না। সম্মান টুকু আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকুন।মানুষ মরে গেলেও ভালোবাসা মরে না । কখনোই কারো উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হবেন না। প্রিয় একটা সময় প্রিয় থাকে না। বৃষ্টিতে একাই 

একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই...

Image
    একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই — ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি আরও পড়ুন 👇👇 স্ত্রীর গো*পন অ*ঙ্গে*র দিকে তাকিয়ে সহ*বাস করা কি জায়েজ? স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হলো ভালোবাসা, বিশ্বাস, পবিত্রতা ও পারস্পরিক সম্মানের সম্পর্ক। অনেক সময় সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন কথা ছড়ানো হয়, যেমন— “স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই”। এই বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে হলে ইসলামের মূলনীতি জানা জরুরি। ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর জন্য বৈধ উন্মুক্ততা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পরস্পরের জন্য শরীর বৈধ। অর্থাৎ তারা একে অপরের সামনে সম্পূর্ণ উ*ল*ঙ্গ হতে পারে। এতে কোনো গুনাহ নেই। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ > “তারা তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক।” — সূরা আল-বাকারা: ১৮৭ এই আয়াত দ্বারা বোঝানো হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের নিকটতম ও নিরাপদ সম্পর্ক। স্ত্রী যে তিনটি স্থানে উ*ল*ঙ্গ থাকতে পারে (স্বামীর সামনে) ১. শয়নকক্ষ বা ব্যক্তিগত কক্ষ স্বামীর সঙ্গে নির্জনে নিজের ঘরে স্ত্রী উ*ল*ঙ্গ থাকলে এতে কোনো গুনাহ নেই। বরং বৈবাহিক সম্পর্কের স্বাভাবিক অংশ। ২. গোসলখানা বা বাথরুমে স্বামীর উপস্থিতিতে বা স্বা...

মাত্র ২২ বছর বয়সে একজন ছেলে যখন বলে— “আমি শেষ, আমাকে...

Image
  মাত্র ২২ বছর বয়সে একজন ছেলে যখন বলে— “আমি শেষ, আমাকে বাঁচান!”  তখন তার কথাটা কি আমরা একটু থেমে শুনব না? একটা অভ্যাস দিয়ে শুরু হয়েছিল। তারপর সেটা নেশা হলো। নেশা থেকে আসক্তি। আর একসময় সেই আসক্তিই তার জীবন, পড়াশোনা, নামাজ, ঘুম, পরিবার সবকিছুকে গ্রাস করতে শুরু করল। আসসালামু আলাইকুম। আমার বয়স ২২ বছর। আমি একজন স্টুডেন্ট। আজ এমন কিছু কথা বলতে এসেছি, যেগুলো বলতে আমার নিজের কাছেই লজ্জা লাগে। কিন্তু আমি চাই, আমার এই গল্পটা অন্তত একজন তরুণকে হলেও সতর্ক করুক। আমি যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি, তখনই জীবনের অন্ধকার একটা অধ্যায়ে পা রাখি। সপ্তম শ্রেণি থেকে পর্নোগ্রাফি ও হস্তমৈথুনের সঙ্গে পুরোপুরি জড়িয়ে পড়ি। তখন জানতাম না–একটা ছোট মনে হওয়া অভ্যাস একদিন এত বড় শিকলে পরিণত হতে পারে। সপ্তম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সপ্তাহে ৬–৭ বার পর্যন্ত হস্তমৈথুন করতাম। কেউ আমাকে থামায়নি। আমিও বুঝিনি, আমাকে থামা দরকার। ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত আমি এর ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানতাম না। এরপর আমার জীবনে এমন একটা ঘটনা ঘটে, যা আজও মনে পড়লে শরীর শিউরে ওঠে। আমার ডান পাশের অণ্ডকোষে টিউমার ধরা পড়ে। অপারেশন করতে হয়। ডান অণ্ডকোষ...

উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নি’র্বাচন…

Image
  দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আবারও নতুন তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন দিয়েই স্থানীয় সরকারের ভোটগ্রহণ শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ইউপি নির্বাচনের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে।ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এর আগে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়েও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কারণ ইউপি ও পৌরসভার জনপ্রতিনিধিরাই উপজেলা পরিষদের সদস্য হওয়ায় এসব নির্বাচন শেষ না করে উপজেলা নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে আইনগত ও সাংগঠনিক বিষয় রয়েছে।এর আগে অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল ইসি। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন আয়...

আজ ভরিতে এক ধা’ক্কায় যত কমলো স্বর্ণের দাম

Image
  বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) স্বর্ণের দাম কমিয়েছে। ভরিতে ধাক্কায় ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। সেদিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।নতুন দাম অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ হাজার ১০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় এই দাম কমানো হয়েছে।বাজুস আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।ছাড়া ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দ...

মধ্যযুগের মহিলাদের মধ্যে পর'কীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। বিবাহিত মহিলারা...

Image
    মধ্যযুগের মহিলাদের মধ্যে পরকীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। বিবাহিত মহিলারা...more পরকীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- 😂 মধ্যযুগের ফ্রান্সের একটি শহরের মহিলাদের মধ্যে অদ্ভুত অভ্যাস ছিল।শহরের সকল বিবাহিত মহিলারা তাদের স্বামীর সকালের নাস্তায় সামান্য পরিমানে  বি* ষের ডো-জ দিয়ে রাখতো।  আর স্বামী সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসলে সঙ্গে সঙ্গে সেই বি*ষের প্রতিষেধক দেওয়া হতো। এর ফলে স্বামীর শরীরের কোনো ক্ষ*তি হতো না।  এই অদ্ভুত ও অস্বাভাবিক কাজটি করার কারণ ছিলো, যেনো তারা নিজ গৃহ ছাড়া কোথাও যেন না থাকে, নিজের স্বামীকে কাছে রাখার জন্য মহিলারা এই কাজ করতো।  যদি তারা বেশি সময় অন্য কোথাও থাকে, তাহলে পুরুষের শেষ পর্যন্ত বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিষণ্নতা, বমি, ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গের সম্মুখীন হতে শুরু করতো।  পুরুষ তার স্ত্রীর কাছে অর্থাৎ বাড়ি ফিরতে যত দেরি করবে, সে তত বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে। এবং অবশেষে যখন তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন, স্ত্রী অজান্তেই তাকে সেই বিষের প্রতিষেধক দিতেন।

হুজুরকে ছাত্র বলেন হুজুর আপনি যখন রিতু ম্যাডামকে কি..

Image
   যদি কোনো শিক্ষক, হুজুর বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক বা নির্যাতনমূলক আচরণ করেন, তবে তা শুধু একটি অপরাধ নয়, বরং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাকেও নষ্ট করে দেয়। এ ধরনের ঘটনা সামনে এলে অনেক অভিভাবকই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং প্রশ্ন তোলেন, সন্তানকে কীভাবে নিরাপদে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠাবেন। তবে কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো মাদ্রাসা বা সব হুজুরের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। অসংখ্য শিক্ষক ও আলেম সততা, নিষ্ঠা ও আদর্শের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। যে ব্যক্তি অপরাধ করবে, তার পরিচয় যাই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে দ্রুত, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের আওতায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কার্যকর নজরদারি বাড়ানো এবং অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা প্রয়োজন। শিশুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সবার আগে। কোনো অপরাধই আড়াল করা নয়, বরং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সবার প্রধান লক্ষ্য।

শ’রীরের যে সমস্যা থাকলে ভু’লেও রসুন...

Image
  রসুন আমাদের দৈনন্দিন রান্নার একটি পরিচিত উপাদান। স্বাদ ও গন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি অনেকেই বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত উপকারের আশায় কাঁচা রসুন খেয়ে থাকেন। তবে রসুন সবার জন্য সমানভাবে উপকারী নাও হতে পারে। বিশেষ কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত রসুন খাওয়া কিংবা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রসুনের সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ ঝুঁকির কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের রক্তপাতের সমস্যা রয়েছে বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ চলছে, তাদের রসুন গ্রহণে সতর্ক থাকা উচিত। কারণ রসুন রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে। অস্ত্রোপচারের আগে বা পরে অতিরিক্ত রসুন গ্রহণও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এ ছাড়া যাদের পেটে অতিরিক্ত গ্যাস, অ্যাসিডিটি, বুকজ্বালা বা হজমের সমস্যা রয়েছে, তারা কাঁচা রসুন খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। কারও কারও ক্ষেত্রে পেটব্যথা, বমিভাব বা ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে। নিম্ন রক্তচাপের রোগীদেরও সতর্ক থাকতে হবে। রসুন রক্তচাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তাই যাদের রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে বা যারা রক্তচাপ কমানোর ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন খেলে রক্তচাপ আরও কমে যেতে পারে। এ ছাড়া রসুন...

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর থাকার পর জানা গেল তারা আসলে আপন...

Image
   দুই বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে গোপনে বসবাস করছিল তারা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, অন্য সব দম্পতির মতোই তাদের স্বাভাবিক সংসার। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে চলাফেরা—কোনো কিছুতেই সন্দেহের সুযোগ ছিল না এলাকাবাসীর। কিন্তু হঠাৎ একদিন তাদের ঘিরে এমন একটি তথ্য সামনে আসে, যা জানার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী জানতে পারেন, এতদিন তারা যে পরিচয় দিয়ে বসবাস করছিলেন, সেটি আসলে তাদের প্রকৃত পরিচয় নয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা আলোচনা ও প্রশ্ন। কীভাবে দুই বছর ধরে তারা এই পরিচয় গোপন রেখেছিলেন? কেনই বা নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করেননি? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এতদিন পর কীভাবে এলাকাবাসীর কাছে তাদের আসল সত্যটি ধরা পড়ল? ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখন নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সবটুকু সত্য নাও হতে পারে। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা পরিচয়সংক্রান্ত দাবি বিশ্বাস করা উচিত নয়। ঘটনার পেছনের আসল রহস্য কী, কীভাবে সত্যটি প্রকাশ্যে এলো এবং এরপর তাদের জীবনে কী ঘটেছে—এসব জানতে পুরো ঘটনাটি জানা জরুরি। বিস্তারিত তথ্য সামনে এলে হয়তো পরিষ্কার হব...

এক পুরুষের স্পর্শ পেলে অন্য পুরুষকে ভুলে যাওয়া নারীর ধর্ম! নারী প্রথম পুরুষের.

Image
  এক পুরুষের স্পর্শ পেলে অন্য পুরুষকে ভুলে যাওয়া নারীর ধর্ম! নারী প্রথম পুরুষের স্পর্শ ভুলে না। আমার ঠোঁটের কলঙ্ক তোমার ঠোঁটে রেখে দিলে, তুমি আর ঘূনাক্ষরেও আমার হবেনা।তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না', কখনো বলো না। তাকে শেখাও, বুঝাও, নিয়তি না চাইলে তোমাকে আমাকে একাই থাকতে হবে। অন্যের খাঁচায় বন্দি হয়ে হলেও তুমি সুখে থাকবে। তুমি সুখে থাকলে আমার মুখে হাসি থাকবে। আমার মনে শান্তি থাকবে । কালবৈশাখী ঝড়ে ঘর ভেঙে গেলে দেখবেন, ভিঁটেমাটি থাকে। সেই ভিঁটেমাটি আঁকড়ে ধরে আবার নতুন করে ঘর সাজিয়ে নিন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে একই, বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও সম্মান হারাতে দিয়েন না। সম্মান টুকু আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকুন।মানুষ মরে গেলেও ভালোবাসা মরে না । কখনোই কারো উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হবেন না। প্রিয় একটা সময় প্রিয় থাকে না। বৃষ্টিতে একাই 

নারীর শরীরের ৮০% উত্তেজনা তৈরি হয় শরীরের পাঁচ

Image
  নারীর উত্তেজনার ৮০% আসে বাইরের যে পাঁচ স্পর্শকাতর জায়গা থেকে, জানা জরুরিনারীর শরীরের ৮০% উত্তেজনা তৈরি হয় শরীরের বাইরের পাঁচ জায়গা থেকে—যা বেশিরভাগ পুরুষ চেনেই না।” পুরুষদের বড় ভুল—সব মনোযোগ নিচে। কিন্তু সত্যটা সহজ: নারীর উত্তেজনা প্রথম জ্বলে শরীরের পাঁচ বাইরের পয়েন্ট থেকে। এগুলো ঠিকমতো স্পর্শ করলে হরমোন, রক্তপ্রবাহ, আর শিহরণ একসাথে কাজ করে। ১️⃣ ঘাড়ের দুইপাশ এটা নারীর সবচেয়ে দ্রুত-প্রতিক্রিয়াশীল অংশগুলোর একটি। এখানে হালকা স্পর্শ মানে শরীরকে “স্টার্ট” করে দেওয়া। ২️⃣ কোমরের উপরের অংশ (Lower Back) এখানে নারীর স্নায়ু ঘন। ধীরে টানলে বা চাপ দিলে পুরো শরীরের টেন৩️⃣ উরুর ভেতরের দিক এটা শরীরের গেটওয়ে। এটা ছোঁয়া মানে উত্তেজনা বাড়ানো নয়—মানসিক অনুমতি তৈরি করা। ৪️⃣ নিতম্বের পাশে নরম অংশ এখানে স্পর্শ মানে সরাসরি নারীর ব্রেইনকে উত্তেজনার সিগন্যাল পাঠানো। ৫️⃣ কানের নিচের অংশ (Ear Base) এখানে নারীর শরীর সবচেয়ে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেয়। এটা ঠিকঠাক করলে শরীর ঢেউ নেওয়া শুরু করে—প্রায় সঙ্গে সঙ্গে।শন বদলে যায়।

মধ্যযুগের মহিলাদের মধ্যে পর'কীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। বিবাহিত মহিলারা...

Image
   মধ্যযুগের মহিলাদের মধ্যে পরকীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। বিবাহিত মহিলারা...more পরকীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- 😂 মধ্যযুগের ফ্রান্সের একটি শহরের মহিলাদের মধ্যে অদ্ভুত অভ্যাস ছিল।শহরের সকল বিবাহিত মহিলারা তাদের স্বামীর সকালের নাস্তায় সামান্য পরিমানে  বি* ষের ডো-জ দিয়ে রাখতো।  আর স্বামী সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসলে সঙ্গে সঙ্গে সেই বি*ষের প্রতিষেধক দেওয়া হতো। এর ফলে স্বামীর শরীরের কোনো ক্ষ*তি হতো না।  এই অদ্ভুত ও অস্বাভাবিক কাজটি করার কারণ ছিলো, যেনো তারা নিজ গৃহ ছাড়া কোথাও যেন না থাকে, নিজের স্বামীকে কাছে রাখার জন্য মহিলারা এই কাজ করতো।  যদি তারা বেশি সময় অন্য কোথাও থাকে, তাহলে পুরুষের শেষ পর্যন্ত বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, বিষণ্নতা, বমি, ব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গের সম্মুখীন হতে শুরু করতো।  পুরুষ তার স্ত্রীর কাছে অর্থাৎ বাড়ি ফিরতে যত দেরি করবে, সে তত বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বে। এবং অবশেষে যখন তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন, স্ত্রী অজান্তেই তাকে সেই বিষের প্রতিষেধক দিতেন।

ক্যা*নসার ধরা পড়ে দেরিতে! শুরুতে শরীরের কোন অঙ্গে দেয় সংকেত..

Image
   ক্যানসার এমন একটি রোগ, যা আমাদের শরীরের যেকোনও অংশে শুরু হতে পারে। সাধারণত শরীরের কোষগুলো একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জন্মায়, কাজ করে এবং সময়মতো নষ্ট হয়। কিন্তু ডিএনএ-তে কোনো পরিবর্তন হলে কোষগুলো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এভাবেই শুরু হয় ক্যানসার।বিশেষজ্ঞরা বলেন, ক্যানসার শরীরের যে কোনো অঙ্গে শুরু হতে পারে। তবে কিছু অঙ্গে এটি তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। সবচেয়ে সাধারণ ক্যানসার ও ঝুঁকিপূর্ণ অঙ্গগুল ফুসফুস: ধূমপান, পরোক্ষ ধূমপান এবং বায়ুদূষণ ফুসফুসের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই ফুসফুস ক্যানসার বিশ্বজুড়ে অন্যতম সাধারণ ক্যানসার। স্তন: মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় স্তন ক্যানসার। পুরুষরাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন, যদিও সংখ্যাকোলন বা বৃহদান্ত্র: অস্বাস্থ্যকর খাবার, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং অতিরিক্ত ওজন কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। লিভার: হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাস, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং ফ্যাটি লিভার লিভার ক্যানসারের কারণ হতে পারে। ত্বক: দীর্ঘ সময় রোদে থাকা বা অতিরিক্ত আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির সংস্পর্শে ত্বকের ক্যানসার হতে পারেশুরুতে লক্ষণ নাও দেখা দিতে পারে অনেক সময় ক্...

⚠️ শিক্ষামূলক স্বাস্থ্যসচেতনতা পোস্ট ⚠️

Image
   ⚠️ শিক্ষামূলক স্বাস্থ্যসচেতনতা পোস্ট ⚠️ প্রস্রাবের যেকোনো সমস্যা শুরু থেকেই অবহেলা করবেন না প্রস্রাবের সমস্যাগুলো অনেক সময় ধীরে ধীরে জটিল রূপ নেয়। শুরুতে সামান্য মনে হলেও, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে বড় অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে। 🔴 যেসব লক্ষণ একদমই অবহেলা করা যাবে না— ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া প্রস্রাবের বেগ কম থাকা প্রস্রাব আটকে যাওয়া বা শুরু হতে দেরি হওয়া প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তন প্রস্রাবে দুর্গন্ধ প্রস্রাবের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কম বা বেশি হওয়া 👉 এসবের যেকোনো একটি থাকলেই শুরুতেই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। 🩺 কেসটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? ৩২ বছরের একজন রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন সমস্যাকে অবহেলা করার ফলে প্রস্রাবের রাস্তা (Urethra) একেবারে চিকন হয়ে যায়। ফলে তাকে ৩ ঘণ্টার জটিল অপারেশনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে—যা সময়মতো চিকিৎসা নিলে এড়ানো সম্ভব ছিল। 🧠 এ ধরনের সমস্যা কেন হয়? পুরনো সংক্রমণ (UTI) যৌনবাহিত রোগ আগের কোনো ক্যাথেটার বা অস্ত্রোপচারের জটিলতা আঘাত বা প্রদাহ দীর্ঘদিন প্রস্রাব চেপে রাখার অভ্যাস ✅ প্রতিরোধ ও সচেতনতার টিপস ✔️ প্রস্রাবের সমস্যা শ...

সম্প্রতি ই'ন্ডিয়ার উত্তরপ্রদেশে এই মে'য়েটাকে পা'হাড়ি নি'র্জন ..

Image
  ২০ বছর বয়সী এক তরুণী, যিনি মূলত মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলার বাসিন্দা এবং রাজস্থানের কোটায় থেকে NEET (মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।তিনি চিত্রকুটে তাঁর আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।ঘটনার স্থান ও সময়: গত ২২ জুলাই দুপুরে ভুক্তভোগী তাঁর ১৭ বছর বয়সী এক পুরুষ বন্ধুর সাথে মোটরসাইকেলে করে চিত্রকুটের পাহাড়ি ও নির্জন পর্যটন এলাকা দেবঙ্গনা উপত্যকায় যান। তাঁরা যখন পাহাড়ের ওপর বসে ছিলেন, তখন মোটরসাইকেলে করে তিনজন ব্যক্তি সেখানে আসে। তারা নিজেদের বন বিভাগের (Forest Department) কর্মী পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করেএরপর তারা তরুণীর বন্ধুকে বেল্ট দিয়ে মারধর করে এবং গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁ*ধে ফেলে। পরবর্তীতে তারা তরুণীকে জোরপূর্বক পাশবিক (গণধ*র্ষণ) করে।ঘটনার পর তরুণী কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে পুলিশকে ফোন করেন। চিত্রকূট পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিন অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের সাথে এনকাউন্টারে এক অভিযুক্ত পায়ে গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়। বর্তমানে মামলার তদন্ত এবং আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।উল্লেখ্য, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম...

হঠাৎ চ’মক, বিএনপির নতুন ম’হাসচিব হচ্ছেন...

Image
  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর মহাসচিব পদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম, নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে মহাসচিব পদে পরিবর্তন আসতে পারে—এমন নানা আলোচনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে সম্ভাব্য নতুন মহাসচিব হিসেবে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় এলেও এখন পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি। ফলে কে নতুন মহাসচিব হচ্ছেন—এ নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। বিএনপির মহাসচিব পদটি দলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বগুলোর একটি। দলের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সমন্বয় এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মহাসচিব। ফলে এ পদে পরিবর্তনের কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা দলের রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে সম্ভাব্য নেতৃত্ব পরিবর্তনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের পছন্দের নেতার নাম উল্লেখ করছেন। তবে এসব পোস্টের বড় একটি অংশ ব্যক্তি...

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

Image
      খারাপ জায়গায় যান? এই লেখাটা ঠিক আপনাদের জন্য। ৩৬ বছর বয়সী একজন পুরুষ। পুরুষের সাথেই যৌ/ন সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। আজ তাঁর মুখের ভেতর ছড়িয়ে আছে তিনি HIV/AIDS এ আক্রান্ত নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন। তবুও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই দুর্বল যে সাধারণ একটি ভাইরাস আজ ক্যান্সারের মতো আচরণ করছে (Kaposi sarcoma, HPV সংক্রমণ)। এটাই HIV-এর সবচেয়ে ভয়ংকর দিক— অবৈধ যৌ/ন সম্পর্ক, নিষিদ্ধ জায়গায় যাওয়া, একাধিক পার্টনার, এই ছোট “ভুলগুলোই” একদিন পুরো জীবন পাল্টে দেয়। একবার ইমিউন সিস্টেম ভেঙে গেলে সংক্রমণ আর ক্যান্সার সুযোগ নেয়। নিজেকে প্রশ্ন করুন— L এক মুহূর্তের আনন্দ এই পরিণতির যোগ্য? নিয়মিত HIV ও STI টেস্ট করুন। লজ্জা না, সচেতনতা জীবন বাঁচায় এই পোস্টটা শেয়ার করুন। ডা:আব্দুর রহমান

২ বছরে ১৮০ বার মি/ল/ন! কিন্তু এখানেই শেষ নয়...

Image
   মাত্র ২ বছরে ১৮০ বার মিলন! 😳 কিন্তু এখানেই শেষ নয়—বিয়ের দাবিতে এবার মামার দরজায় হাজির ভাগিনী! 😱 ছবিতে থাকা এই তরুণ-তরুণীকে ঘিরে এমনই এক চাঞ্চল্যকর দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। সম্পর্কের টান, পরিবারের আপত্তি আর বিয়ের দাবিকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা। তবে ছবির পোস্টে যেসব দাবি করা হয়েছে, সেগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। তাই পুরো ঘটনা না জেনে কাউকে নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোই ভালো। 📌 আসল ঘটনা কী? কেন বিয়ের দাবিতে মামার দরজায় যেতে হলো? বিস্তারিত জানতে পোস্টের কমেন্ট দেখুন

নিজের ছেলে কেমনে পারলো...

Image
    নিজের ছেলে হঠাৎ করে কোথায় চলে গেল—এমন প্রশ্নে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। প্রতিদিনের মতো স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটছিল। কিন্তু একপর্যায়ে ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার সন্ধান করার চেষ্টা করেন। আশপাশের এলাকাতেও খোঁজ নেওয়া হয়। ছেলেটি কেন বাড়ি থেকে বের হয়েছিল, কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না এবং সে কোথায় গেছে—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন স্বজনরা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য, স্থান ও সময় স্পষ্ট নয়। তাই ছেলেটি ঠিক কীভাবে বা কেন বাড়ি থেকে চলে গেছে—তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো এবং পরিবারের সদস্যদের শান্ত থেকে খোঁজ চালানো গুরুত্বপূর্ণ। কোনো তথ্য পাওয়া গেলে যাচাই করে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করাই উচিত। আপনার কী মনে হয়, ছেলেটি কেন হঠাৎ বাড়ি থেকে চলে গেল? আপনার মতামত কমেন্টে জানা

বাবা মেয়েকে নিয়ে হসপি’টালে গেলে টে’স্টের রি’/পোর্ট দেখেই..

Image
  মেয়ের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন বাবা। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন টেস্ট করানো হয়। কিন্তু রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর সেটি দেখে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তৈরি হয় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা। প্রথমে বিষয়টি সাধারণ একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা বলেই মনে করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। মেয়ের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট পাওয়ার পর চিকিৎসক বিষয়টি বিস্তারিতভাবে দেখেন এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে পরিবারকে জানান। রিপোর্টে ঠিক কী পাওয়া গেছে, তা নিয়ে পরিবারের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে না যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। অনেক সময় কোনো একটি পরীক্ষার ফলাফল দেখেই রোগ নির্ণয় করা যায় না; প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পরীক্ষা, শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার হতে পারে। মেয়ের পাশে থাকা বাবা পুরো পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও তাকে মানসিকভাবে সাহস জোগান। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে...

অবশেষে তনি জানালো তার ৩য় স্বামীর থেকেও ২য় স্বামী সবকিছুতেই…

Image
  তনির ব্যক্তিগত জীবন ও একাধিক বিয়েকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছে। এবার তার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। ভাইরাল হওয়া একটি দাবিতে বলা হচ্ছে, তনি নাকি জানিয়েছেন—তৃতীয় স্বামীর তুলনায় তার দ্বিতীয় স্বামী অনেক দিক থেকেই ভালো ছিলেন।অবশেষে তনি জানালেন, তৃতীয় স্বামীর চেয়েও দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন অনেক দিক থেকে এগিয়ে!তবে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়লেও তনির এমন বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য সূত্র সব ক্ষেত্রে পাওয়া যায়নি। ফলে ভাইরাল দাবিকে সরাসরি সত্য হিসেবে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্বামীকে নিয়ে কেন আলোচনা? তনির ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক বিয়ে হওয়ায় তার সম্পর্ক ও পারিবারিক জীবন নিয়ে মানুষের আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যুর পর সম্পত্তি, সম্পর্ক এবং পরবর্তী বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা তৈরি হপরবর্তীতে তৃতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পরও তাকে ঘিরে নানা মন্তব্য ও সমালোচনা দেখা যায়। এর মধ্যেই দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্বামীর তুলনা করে তনির কথিত বক্তব্য ছড়িয়ে পড়েছে।আসলে কী বলেছি...

Popular posts from this blog

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী…