কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

Image
    কারাগারে চালু হলো ‘সাক্ষাৎ কক্ষ’, বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কারাগারে দাম্পত্য সাক্ষাৎ বা ‘conjugal visit’-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমতির ভিত্তিতে বিবাহিত বন্দিরা তাদের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর সুযোগ পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—“কারাগারে চালু হলো সেক্স রুম, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ পেলেন বন্দিরা।” চটকদার এই শিরোনামটি দ্রুত মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ‘সেক্স রুম’ শব্দটি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যবহার করা হয়; বাস্তবে এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নিয়ম দেশভেদে আলাদা। কীভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করে? যেসব দেশে দাম্পত্য সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাধারণত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে না। বন্দির আচরণ, অপরাধের ধরন, কারাবিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা সাক্ষাৎ কক্ষ বা পারিবারিক সাক্ষাৎ সুবিধা দেওয়া ...

চার বন্ধু সা’রা’রাত মে’য়ে নিয়ে ফু*র্তি।সকালে উঠে জানতে পা...

 


চার বন্ধুর দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল একসঙ্গে রাত কাটিয়ে আনন্দ করার। নির্জন একটি বাড়িতে আয়োজন করা হয়েছিল ছোটখাটো পার্টির।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আরও কয়েকজন পরিচিত তরুণ-তরুণী যোগ দেয়। গান, আড্ডা আর হৈচৈয়ে একসময় গভীর রাত হয়ে যায়।

রাতের শেষ দিকে চার বন্ধু ক্লান্ত হয়ে যার যার মতো ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তারা লক্ষ্য করে, আগের রাতের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও কিছু ব্যক্তিগত সামগ্রীও নেই।

বিষয়টি নিয়ে প্রথমে তারা একে অপরকে সন্দেহ করতে শুরু করে। পরে বাড়ির আশপাশে খোঁজ করে তারা একটি অস্বাভাবিক বিষয় দেখতে পায়। ঘরের বাইরে পড়ে থাকা একটি ব্যাগের ভেতরে পাওয়া যায় কয়েকটি জিনিস, যা দেখে তাদের সন্দেহ আরও বাড়ে।

ঘটনার পর তারা স্থানীয়ভবে খোঁজখবর শুরু করে এবং বাড়ির নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফুটেজে গভীর রাতে একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

পরে বিষয়টি স্থানীয় পুলিশকে জানানো হলে তারা ঘটনাটি তদন্ত শুরু করে।

পুলিশের ধারণা, পার্টির সুযোগ নিয়ে কেউ বাড়িতে ঢুকে জিনিসপত্র নিয়ে যেতে পারে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে নানা ধরনের অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

শেষ পর্যন্ত চার বন্ধুর রাতের আনন্দ পরিণত হয় এক অপ্রত্যাশিত রহস্যে—আর সেই রহস্যের উত্তর খুঁজতেই শু

Comments

Popular posts from this blog

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী…