কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

Image
    কারাগারে চালু হলো ‘সাক্ষাৎ কক্ষ’, বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কারাগারে দাম্পত্য সাক্ষাৎ বা ‘conjugal visit’-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমতির ভিত্তিতে বিবাহিত বন্দিরা তাদের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর সুযোগ পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—“কারাগারে চালু হলো সেক্স রুম, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ পেলেন বন্দিরা।” চটকদার এই শিরোনামটি দ্রুত মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ‘সেক্স রুম’ শব্দটি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যবহার করা হয়; বাস্তবে এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নিয়ম দেশভেদে আলাদা। কীভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করে? যেসব দেশে দাম্পত্য সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাধারণত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে না। বন্দির আচরণ, অপরাধের ধরন, কারাবিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা সাক্ষাৎ কক্ষ বা পারিবারিক সাক্ষাৎ সুবিধা দেওয়া ...

২০০৩ সালে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন প্র’ধানম’ন্ত্রী তারেক রহমান, কী ছিল সেখানে লেখা…

 


ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা তাঁর ক্যারিয়ারের একটি বিশেষ স্মৃতি শেয়ার করেছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি জানান, ২০০৩ সালে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমা দেখার পর তৎকালীন বিএনপির নেতা তারেক রহমান তাঁকে একটি শুভেচ্ছাবার্তা সম্বলিত চিঠি পাঠিয়েছিলেন।পূর্ণিমার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গ্যারিসন সিনেমা হলে সপরিবারে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমাটি দেখেছিলেন তারেক রহমান। সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হয়ে তিনি পূর্ণিমাসহ সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠিটি পাঠান।চিঠিতে সিনেমাটির প্রশংসা করে লেখা ছিল—“এ রকম সিনেমা নিয়মিতভাবেই নির্মাণ হওয়া উচিত। আমরা যেন আমাদের ভালো কাজের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখতে পারি”— এমন কামনাও তিনি ব্যক্ত করেছিলেন বলে পূর্ণিমা জানিয়েছেন।পূর্ণিমা আরও জানান, সেই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমানের মতো বিস্তার ছিল না। তাই চিঠিটি পেয়ে তাঁর মা পরিচিত সাংবাদিকদের দেখিয়েছিলেন। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের এই শুভেচ্ছা ও সিনেমার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তাঁদের কাছে বেশ আনন্দের ও অনুপ্রেরণার বিষয় ছিল।বিষয়টি নিয়ে পূর্ণিমার স্মৃতিচারণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে দুই দশকেরও বেশি সময় আগের সেই চিঠিতে কী লেখা ছিল—সেটিই এখন অনেকের আগ্রহের বিষয়।তবে উল্লেখ্য, চিঠিটির পূর্ণাঙ্গ মূল কপি বা হুবহু সম্পূর্ণ পাঠ প্রকাশিত হয়নি; পূর্ণিমার স্মৃতিচারণের ভিত্তিতেই এর মূল বক্তব্য বিভিন্ন প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে

Comments

Popular posts from this blog

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী…