কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

Image
    কারাগারে চালু হলো ‘সাক্ষাৎ কক্ষ’, বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কারাগারে দাম্পত্য সাক্ষাৎ বা ‘conjugal visit’-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমতির ভিত্তিতে বিবাহিত বন্দিরা তাদের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর সুযোগ পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—“কারাগারে চালু হলো সেক্স রুম, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ পেলেন বন্দিরা।” চটকদার এই শিরোনামটি দ্রুত মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ‘সেক্স রুম’ শব্দটি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যবহার করা হয়; বাস্তবে এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নিয়ম দেশভেদে আলাদা। কীভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করে? যেসব দেশে দাম্পত্য সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাধারণত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে না। বন্দির আচরণ, অপরাধের ধরন, কারাবিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা সাক্ষাৎ কক্ষ বা পারিবারিক সাক্ষাৎ সুবিধা দেওয়া ...

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

 


স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে মমিন মিয়ার সাথে তিশার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। পরে মমিন কাজের জন্য তিশাকে বাড়িতে রেখে সৌদি আরবে চলে যান। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে প্রবাসে রয়েছেন। স্বামী প্রবাসে থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই এলাকার সাকিন মিয়ার ছেলে সিঙ্গাপুর প্রবাসী সিয়াম মিয়ার সাথে তিশা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।




দীর্ঘদিনের এই ভার্চুয়াল সম্পর্ক একসময় গভীর প্রেমে রূপ নেয়। কিছুদিন আগে সিয়াম সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। তারপর সিয়ামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিশা তার সংসার ফেলে বুধবার রাতে সিয়ামের বাড়িতে চলে যান। পরে সিয়াম তিশাকে রেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। তারপর থেকেই বিয়ের দাবিতে তিশা সিয়ামের বাড়িতে অনশন শুরু করেন। বিষয়টি প্রথমে তাদের পরিবারের মধ্যে থাকলেও বৃহস্পতিবার রাতে পুরো এলাকায় চঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।




এ বিষয়ে মমিন মিয়ার মা বলেন, “যে মেয়ে বাচ্চা সংসার ফেলে প্রেমিকের কাছে চলে গেছে তার প্রতি আমাদের কোন মায়া, ভালোবাসা, অধিকার নেই। এই মেয়েকে আমরা আর ঘরে তুলব না।”


তবে সিয়াম ও তার বাবা সাকিন মিয়া বাসা থেকে পলাতক থাকাই তাদের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি এবং সিয়ামের মা কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।




ওই ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো: চান মিয়া বলেন, এটা আমাদের এলাকার সম্মান নষ্ট করছে। মেয়েটি দুইদিন ধরে অনশনে আছে। আমরা চাচ্ছি সিয়ামের সাথে তিশার বিয়ে দিয়ে ঘটনাটি শেষ করতে। কিন্তু সিয়াম তো পালিয়ে আছে। সিয়ামকে ছাড়া বিয়ে দিবএ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কেমনে।

Comments

Popular posts from this blog

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী…