কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

Image
    কারাগারে চালু হলো ‘সাক্ষাৎ কক্ষ’, বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু কারাগারে দাম্পত্য সাক্ষাৎ বা ‘conjugal visit’-এর বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট নিয়ম ও অনুমতির ভিত্তিতে বিবাহিত বন্দিরা তাদের স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর সুযোগ পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে—“কারাগারে চালু হলো সেক্স রুম, ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ পেলেন বন্দিরা।” চটকদার এই শিরোনামটি দ্রুত মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে ‘সেক্স রুম’ শব্দটি অনেক ক্ষেত্রে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যবহার করা হয়; বাস্তবে এসব ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ও নিয়ম দেশভেদে আলাদা। কীভাবে এই ব্যবস্থা কাজ করে? যেসব দেশে দাম্পত্য সাক্ষাতের সুযোগ রয়েছে, সেখানে সাধারণত এটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে না। বন্দির আচরণ, অপরাধের ধরন, কারাবিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আলাদা সাক্ষাৎ কক্ষ বা পারিবারিক সাক্ষাৎ সুবিধা দেওয়া ...

সেই সময়ে নায়িকার হেমা মালিনী শেখ মুজিবর এর কাছে এসেছিলেন শুধুমাত্র...

 


১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলকাতা সফর করেন। ৬ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ওই সফরে তিনি ভারতের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সফর ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়।বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরের সময়টা ছিল নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘিরে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হেমা মালিনীও সেই সময় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়।ঐতিহাসিক বর্ণনায় আরও জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারতের বিভিন্ন অঙ্গনের শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে হেমা মালিনীর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তিনি ঠিক কোন উদ্দেশ্যে বা কী বক্তব্য নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন—এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য প্রাথমিক সূত্রে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো নির্দিষ্ট দাবি যাচাই ছাড়া নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না।তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎ ছিল দুই দেশের সদ্য গড়ে ওঠা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি অংশ। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন রাষ্ট্রের অবস্থান শক্ত করার সময় সাংস্কৃতিক যোগাযোগও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

Comments

Popular posts from this blog

অল্প সময়ের শারীরিক আনন্দের জন্য কি অবৈধ মেলামেশায় লিপ্ত হন?..

কা/রাগা/রে চালু হলো ‘সে””*ক্স রুম’, ঘ/..

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী…